• ঢাকা, বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

বাণিজ্য সম্প্রসারণে আগ্রহী মিশর

বাণিজ্য সম্প্রসারণে আগ্রহী মিশর

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বাড়াতে আগ্রহ প্রকাশ করছে মিশর। এ বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে দ্রুত একটি যৌথ প্রটোকল স্বাক্ষর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক এসব তথ্য জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার দুপুরে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানকের সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত মিশরের রাষ্ট্রদূত ওমর মহিম এলদিন আহমেদ ফাহমি সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

বৈঠকে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুর রউফ ও দূতাবাসের দ্বিতীয় সচিব মিনা মাকারি উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, মিশরের রাষ্ট্রদূত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের বর্তমান সরকারকে অকুণ্ঠ সমর্থন জানিয়েছেন।

তিনি শেখ হাসিনা পঞ্চমবারের মত সরকার গঠন করায় তাকে অভিন্দন জানিয়েছেন। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশে যে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে তার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। গতবছর মিশর ও বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০বছর উদযাপন করা হয়েছে। এ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতেও অটুট থাকবে বলে রাষ্ট্রদূত আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশে নিযুক্ত মিশরের রাষ্ট্রদূত ওমর ফাহমি জানান, মিশর আন্তরিকভাবে বিশ্বাস করে বাংলাদেশ তাদের বন্ধুপ্রতীম দেশ। মিশর ও বাংলাদেশের রয়েছে ঐতিহাসিক সম্পর্ক। সেজন্য মিশর বাংলাদেশের পাট-বস্ত্র, তুলাসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য ছাড়া সাংস্কৃতিক শিক্ষা ও ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন ঘটাতে আগ্রহী।

আলোচনায় বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক এমপি মিশরের রাষ্ট্রদূতকে জানান, বাংলাদেশও আন্তরিকভাবে বিশ্বাস করে মিশর বাংলাদেশের বন্ধুপ্রতীম দেশ। বন্ধুপ্রতীম দু'দেশের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরাদার হবে। বিশ্বে বাংলাদেশ ২য় পাট উৎপাদনকারী দেশ। বাংলাদেশে অতি উন্নতমানের পাট উৎপাদিত হয়।

নানক বলেন, বাংলাদেশের উদ্যোক্তগণ পাট দিয়ে ২৮২ ধরণের বহুমুখী পাটজাত পণ্য উৎপাদন করছে যা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রপ্তানী হয়। পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও মিশর পাট ও বস্ত্রখাত একসঙ্গে এগিয়ে যাবে। দুই দেশের বাণিজ্য ঘাটতি পূরণ ও ব্যবসা-বাণিজ্যে যেসব প্রতিবন্ধকতা রয়েছে তা দূর করতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

২৩ জানুয়ারি ২০২৪, ০৬:৫২পিএম, ঢাকা-বাংলাদেশ।